ছাত্রকে যৌন হয়রানি, ঢাবি শিক্ষক হাজতে

ছাত্রকে যৌন হয়রানি, ঢাবি শিক্ষক হাজতে
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

ছাত্রকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এরশাদ হালিমকে হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তার জামিন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

আদালতে প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

১৩ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে ঢাকার শেওড়াপাড়ার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মেহেদী হাসান মিলন তাকে হাজতে আটক রাখার আবেদন করেন।

অন্যদিকে, এরশাদ হালিমের আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় তার জামিনের জন্য আবেদন করেন। তিনি আদালতে দাবি করেন, মামলার ঘটনার সঙ্গে এরশাদ হালিম জড়িত নন এবং তাকে হয়রানি করে মামলায় জড়ানো হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের (২০২২-২৩) শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। গত ২৬ সেপ্টেম্বর ল্যাব পরীক্ষায় একটি সমস্যার পর তিনি এরশাদ হালিমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শিক্ষক তাকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বাসায় আসতে বলেন।

আরও পড়ুন

পরদিন ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ছাত্রটি তার বাসায় গেলে অভিযোগ অনুযায়ী যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। ছাত্রকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি কাউকে না বলতে বলা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, এরপর শিক্ষক তাকে পরীক্ষার বিষয়ে প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলার কথা জানান এবং আবার বাসায় যেতে বলেন। কিন্তু তার আচরণের কারণে ওই দিন ছাত্রটি যায়নি এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গ্রামের বাড়ি চলে যায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, শিক্ষক পরে তাকে ফোনে অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন ও বাসায় রাত্রিযাপনের জন্য চাপ দেন।

১০ অক্টোবর ঢাকায় ফিরে ছাত্রটি বাসায় যেতে অস্বীকার করে। পরিবারের পরিস্থিতির কারণে বিপাকে পড়ে ১৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি বাধ্য হয়ে শেওড়াপাড়া বাসায় গেলে অভিযোগ অনুযায়ী তাকে মারধর করা হয় এবং যৌন নির্যাতনে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

পরদিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে তাকে হলে নামিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পর ছাত্রটি শুক্রবার শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।

শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে অধ্যাপক এরশাদ হালিমকে হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর