চোর ধরা পড়েছে, তবুও তারা থেমে নেই: জামায়াত আমির

চোর ধরা পড়েছে, তবুও তারা থেমে নেই: জামায়াত আমির
নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। শনিবার দুপুর সাড়ে ৩টায় সিলেট নগরীর সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে | ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

সম্প্রতি এক্স অ্যাকাউন্ট (সাবেক টুইটার) হ্যাক হওয়ার প্রসঙ্গে চোর ধরা পড়েছে, তবুও তারা থেমে নেই–এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘চোর ধরা পড়েছে, তবুও তারা থেমে নেই। তাহলে এখনো কি চোরের মায়ের বড় গলা রয়ে গেছে?’

শনিবার দুপুর সাড়ে ৩টায় সিলেট নগরীর সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

একটি রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, ‘একটা দল মা-বোনদের সম্মান দিতে পারে না, এটার প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে মিসাইল ছোড়া হচ্ছে। হাতে হাত মিলিয়ে আমার চরিত্র হনন করা হচ্ছে। কিন্তু তারা জানে না, আধুনিক বিশ্বে মিসাইল ছুড়লে এন্টি-মিসাইলও খেতে হয়।’

তবে যারা তার চরিত্র হননে লিপ্ত, তাদের তিনি ক্ষমা করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, যারা জনগণের টাকা লুট করেছে, তাদের শান্তিতে থাকতে দেওয়া হবে না। দুনিয়ার যেখানেই থাকুক না কেন, জনগণের এই হক যদি তারা স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দেয়, তবে তারা অভিনন্দনের যোগ্য হবে।

একই সঙ্গে আর যদি ফেরত না দেয়, তাহলে রাষ্ট্র আইনের মাধ্যমে তা আদায় করে নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আরও পড়ুন

জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে দায়িত্ব পেলে দেশের ৫৪ হাজার বর্গমাইলের এক ইঞ্চিতেও বেইনসাফি না করার আশ্বাস দিয়েছেন শফিকুর রহমান। প্রতিটি ইঞ্চি জমি তার পাওনা আদায় করে নেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সিলেটের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, সিলেটবাসীর যেসব ন্যায্য দাবি ও পাওনা রয়েছে, সেগুলো সম্মানের সঙ্গে সিলেটবাসীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।

একই সঙ্গে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ হলে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চেহারা পাল্টে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতির রাস্তাগুলো বন্ধ হলেই প্রকৃত উন্নয়ন শুরু হবে।

যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রুট বন্ধ রাখা হয়েছে কেন, জনগণ এর জবাব জানতে চায় জানান এই নেতা। তিনি জানান, ক্ষমতায় গেলে বন্ধ থাকা আন্তর্জাতিক রুটগুলো পুনরায় চালু করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার ফ্লাইট চালু করা হবে।

এ সময় শুধু ‘রেমিটেন্স যোদ্ধা’ বললেই দায়িত্ব শেষ হয় না উল্লেখ করে তিনি আশ্বাস দেন, সামর্থ্য না থাকলে রাষ্ট্রের উদ্যোগেই প্রবাসে ইন্তেকাল করা নাগরিকের মরদেহ সম্মানের সঙ্গে দেশে আনা হবে এবং তাদের পরিবারের দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে।

প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই প্রথমবার প্রবাসীরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এই দাবি জামায়াতই প্রথম উত্থাপন করেছিল, যদিও এ নিয়ে বিরোধিতা ও অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad