চবিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন

চবিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন
কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন অনুষ্ঠান। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ।

সোমবার সকাল ১০টায় চবির কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের পঞ্চম তলায় কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়।

পরে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টি কমিটির সম্পাদক রুয়ান চাওছি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. সফিকুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ সালেহ্ জহুর এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. ইকবাল শাহীন খান।

আরও পড়ুন

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চবি পরিচালক ও উদ্বোধন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন।

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাচীনকাল থেকে চায়নার সাথে বেঙ্গলের একটা ভালো সম্পর্ক ছিলো। বিশেষ করে চাইনিজ মং, চাইনিজ ব্যাবসায়ীরা বাংলাদেশে এসেছিলো। কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটা সম্পর্ক তৈরি হবে। একই সাথে দুই দেশের তরুণ শিক্ষার্থীরা একে অপরের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চায়নার বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজকদের অভিনন্দন জানিয়ে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, ‘আপনারা জানেন আমাদের সরকার বর্তমানে ৩য় আরেকটা ভাষা শেখার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্ব আরোপ করেছে। এর গুরুত্ব দেখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটকে বলেছি, তারা প্রায় ৮-৯টা ভাষা অন্তর্ভুক্ত করবে বলেছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি ভাষা হবে চাইনিজ।’

চবি উপাচার্য মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, ‘এই কনফুসিয়াস সেন্টার কেন দরকার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ঠিকভাবেই অনুধাবন করতে পেরেছিলো। চাইনিজকে যদি আমরা ৩য় ভাষা হিসেবে যুক্ত করতে পারি, তাহলে তা আমাদের শিক্ষার্থীদের চাকরি পেতে একটা আলাদা সুবিধা তৈরি করবে। খুব সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা করেছে, কমপক্ষে ৫০টি ইন্টস্টিটিউটে ৩য় ভাষা হিসেবে চাইনিজকে সংযুক্ত করতে হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সর্বপ্রথম এ কাজ করতে পেরেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে সকালে রোয়ান জাও জি যখন কনফুসিয়াস সেন্টারটি উদ্বোধন করছিলেন, তখন তিনি বলেছিলেন তিনি এ সেন্টারটিকে ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রেপ্লিকা হিসেবে তৈরি করতে চান। এটা শুধুমাত্র ভাষা শেখার একটা জায়গা হবে এমন নয়, এটা কালচারাল হাব হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদী।’

অনুষ্ঠানে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম, চীনা ভাষা শিক্ষা এবং দুই দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad