শীতের আগমনে চট্টগ্রামের বাজারে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে মাছ-মাংস, পেঁয়াজ ও আদার দাম আগের মতোই চড়া থাকায় ক্রেতাদের কষ্ট কমেনি।
শুক্রবার নগরীর হালিশহর, পাহাড়তলী, কাজীর দেউড়ি ও আশপাশের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমেছে। ফুলকপি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ থেকে ৮০, টমেটো ৮০ থেকে ৯০, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ এবং মূলা ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গত সপ্তাহের তুলনায় এসব সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। দেশি গাজর কেজিপ্রতি ১৪০ এবং চায়না গাজর ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কচুশাক, পুঁইশাক ও লালশাকের দামও ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।
তবে পেঁয়াজ ও আদার বাজারে আবারও বাড়তি দেখা গেছে। দেশি পেঁয়াজের কেজি ৮০ থেকে ৯৫ টাকা, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি।
বিক্রেতারা বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বাজার পুরোপুরি দেশি পেঁয়াজনির্ভর হয়ে পড়েছে। আদার দামও বেড়ে চায়না আদা ২০০ ও ভারতীয় আদা ২২০ টাকায় পৌঁছেছে। যদিও রসুনের দাম আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে।
অন্যদিকে মাছ-মাংসের দাম এখনো ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৮০ টাকা, সোনালি ৩৫০ এবং দেশি মুরগি ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ থেকে ৯৫০ ও খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামেও কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফার্মের ডিম ডজনপ্রতি ১৩৫ এবং হাঁসের ডিম ২২০ টাকা।
সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও দাম এখনো কমেনি। বড় রুই বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫৮০ টাকায়, কাতলা ৩৬০ থেকে ৪৫০, বাগদা চিংড়ি ৯০০, গলদা ৮৫০ এবং ছোট চিংড়ি ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রূপচাঁদা, পাবদা ও টেংরা মাছও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।


