ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে ১৯টি সংস্থার ৬৪৫ জন পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্যবেক্ষক থাকছেন চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-হালিশহর) আসনে। আসনটিতে ১৩ সংস্থার ১০৩ জন পর্যবেক্ষক থাকবেন। অন্য আসনগুলোতে প্রতি আসনে ২০ জনের অধিক পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাচনে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন ও আগের দুদিন এবং পরের দিন যেকোনো অনিয়ম, ভোটারকে অনুচিত প্রভাবিত করার চেষ্টা, নারী ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারদের অধিকার, চাপ-বল প্রয়োগের ঘটনাগুলো তারা পর্যবেক্ষণ করবেন। এ ছাড়া, কোনো কোনো সংস্থা আসনগুলোর পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদেও পর্যবেক্ষণ করবে।
ইতোমধ্যের কাছে সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা আবেদন করেছেন। রোববার ও সোমবার থেকে পর্যবেক্ষকদের পাশ কার্ডও সরবরাহ করা হবে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে। এ ছাড়াও বিদেশি পর্যবেক্ষকরা ঢাকা থেকে পাস কার্ড নিয়ে চট্টগ্রামে আসবেন।
চট্টগ্রাম নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে ১৯টি সংস্থার ৬৪৫ জন পর্যবেক্ষণ করবেন। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইয়ুথ ইনিশিয়েটিভ ফর সোসিও ইকোনমিক অ্যাকটিভ (ইসিয়া), বিবি আছিয়া ফাউন্ডেশন, মুক্তির বন্ধন ফাউন্ডেশন, প্রত্যয় সোশ্যাল ফাউন্ডেশন, সমাহার মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, রিসডা বাংলাদেশ, ফ্যাসিলিটিজ ফর অ্যাগ্রিকালচার, রিহ্যাবিলিয়েটেশন ও এনভায়রনমেন্ট, গ্রামীণ ইকোনমিক অ্যান্ড সোশাল অ্যাডভান্সমেন্ট (জিসা), চারু ডেভেলপমেন্ট, অধিকার, এইচআরএসএস, হেল্প সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন, রশ্মি হিউম্যান ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাকটিভ, এইড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন, ইন্টারন্যাশনাল আসফ লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন, রুপসা।
নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়–চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ছয়টি সংস্থার ৩৬ জন, চট্টগ্রাম-২ আসনে সাতটি সংস্থার ২৯ জন, চট্টগ্রাম-৩ আসনে তিনটি সংস্থার ৪৫ জন, চট্টগ্রাম-৪ আসনে সাতটি সংস্থার ২৪ জন, চট্টগ্রাম-৫ আসনে চারটি সংস্থার ৩০ জন, চট্টগ্রাম-৬ আসনে পাঁচটি সংস্থার ২৬ জন, চট্টগ্রাম-৭ আসনে ছয়টি সংস্থার ৩১ জন, চট্টগ্রাম-৮ আসনে সাতটি সংস্থার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-৯ আসনে আটটি সংস্থার ৫৩ জন, চট্টগ্রাম-১০ আসনে ১৩টি সংস্থার ১০৩ জন, চট্টগ্রাম-১১ আসনে সাতটি সংস্থার ৬৩ জন, চট্টগ্রাম-১২ আসনে পাঁচটি সংস্থার ৩২ জন, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে পাঁচটি সংস্থার ৩১ জন, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে পাঁচটি সংস্থার ৪৭ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে চারটি সংস্থার ২৯ জন, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে তিনটি সংস্থার ২৮ জন মোট ৬৪৫ জন জেলার ১৬টি আসনের ১৯৬৫ টি ভোট কেন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট এলাকা পর্যবেক্ষণ করবেন।
চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন অফিসার বশির আহমেদ জানান, পর্যবেক্ষকরা তাদের জন্য যে নীতিমালা রয়েছে সেই নীতিমালা মেনে পর্যবেক্ষণ করবেন। ইতোমধ্যে তাদের চূড়ান্ত অনুমোদনের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তারা রিটার্নিং কর্মকর্তা কাছ থেকে পাস কার্ড সংগ্রহ করবেন।


