নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। ছাত্রলীগের এই নেতার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন, অর্থপাচার ও বিদেশে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। তবে নাজমুল দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী আদালতে নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, সিদ্দিকী নাজমুল আলম বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উপার্জন করে তা নিজের ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে পরিচালিত ব্যাংক হিসাবে এনে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া বিদেশে অর্থপাচার করে সম্পদ অর্জনের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান চলমান।
আবেদনে আরও বলা হয়, নাজমুল আলম দেশত্যাগ করে অন্য কোনো দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ গমন রহিত করা প্রয়োজন।
শুনানি শেষে আদালত তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
সিদ্দিকী নাজমুল আলম ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।


