চট্টগ্রামে কলেজছাত্র হত্যা মামলার ২ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে কলেজছাত্র হত্যা মামলার ২ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

চট্টগ্রামে বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আশফাক কবির সাজিদকে (১৭) হত্যার ঘটনায় পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি এলাকা থেকে রানা প্রকাশ মাইকেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার ভোরে বাগেরহাটের ফকিরহাট এলাকা থেকে আরেক আসামি ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-৬ এর যৌথ দল।

গ্রেপ্তার রানা প্রকাশ মাইকেল রানা সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইলিয়াস নগরের দেওয়ানবাজার এলাকার বাসিন্দা।

নিহত সাজিদ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার দাতিনাথালীপাড়া গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে। লেখাপড়ার কারণে তিনি চট্টগ্রাম নগরের ডিসি রোড এলাকায় শিশু কবরস্থানের পাশের একটি ভবনের ষষ্ঠ তলায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

এর আগে, গত ১২ এপ্রিল বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে সাজিদ তার বন্ধু ফারদিন হাসানকে ফোনে ডেকে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার মোড়ে দেখা করেন। পরে তারা কাছাকাছি একটি টং দোকানের সামনে বসে কথা বলছিলেন।
এ সময় আইমন, অনিক, রানা প্রকাশ মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ, মিসকাতুল কায়েসসহ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল সেখানে গিয়ে সাজিদকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে।

আরও পড়ুন

একপর্যায়ে সাজিদ দৌঁড়ে চকবাজার থানাধীন ডিসি রোডের একটি নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন এবং উপরের তলায় গিয়ে আশ্রয় নেন।

র‍্যাব বলছে, দুর্বৃত্তরা ভবনের দারোয়ানকে ‘চোর ঢুকেছে’ বলে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ করে নেয়। এরপর তারা আট তলায় গিয়ে সাজিদকে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং ভবনের লিফটের খালি শ্যাফট দিয়ে নিচে ফেলে দেয়।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়। ঘটনার পর নিহতের বাবা বাদী হয়ে ১৩ এপ্রিল চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

ঘটনার পর জড়িতদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এর মধ্যে গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে র‍্যাব।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad