‘গোয়েন্দা সংস্থাগুলো গণঅভ্যুত্থান দমনের ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টায় ছিল’

‘গোয়েন্দা সংস্থাগুলো গণঅভ্যুত্থান দমনের ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টায় ছিল’
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

জুলাই বিপ্লবের সময় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে গণঅভ্যুত্থান দমনের ক্রেডিট নেওয়ার প্রতিযোগিতা ছিল বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘আন্দোলন চলাকালে ডিজিএফআই আমাকে ও সারজিস আলমকে তুলে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ডিজিএফআইয়ের ডিজিসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা আন্দোলন প্রত্যাহার করতে আমাদের চাপ দেন। এসবি, এনএসআই, ডিজিএফআই, ডিবিসহ সকল গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে আন্দোলন দমনের ক্রেডিট নেওয়ার প্রতিযোগিতা দেখতে পাই।’

মঙ্গলবার গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় জবানবন্দিতে তিনি এসব কথা বলেন। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ হাসনাতের জবানবন্দি গ্রহণ করে। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন, বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রসিকিউশনের ২২তম সাক্ষী হাসনাত জানান, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই রাতে মামার বাসা থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমসহ তাকে ডিজিএফআই তুলে নিয়ে যায়। সেই রাতে তাদের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর ৩০ মিনিটের মধ্যে সেখানে তৎকালীন সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী  মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল প্রবেশ করেন। ডিজিএফআইয়ের সদস্যরা তাদেরকে ওই মন্ত্রীদের সঙ্গে মিটিং করতে দেন। কিন্তু হাসনাত ও সারজিস রাজি না হওয়ায় মন্ত্রীরা চলে যান। মিটিং না হওয়ায় ডিজিএফআই ক্ষুব্ধ হয়।

‘ডিজিএফআই আমাদের বাসায় ফেরত না দিয়ে সেদিন রাতে মৎস্য ভবন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটের মাঝে একটি গোপন স্থানে আটকে রাখে। এটি সেইফ হাউজ নামে পরিচিত। সেখানে আমাদের ডিজিএফআইসহ বিভিন্ন সংস্থার লোকজন জিজ্ঞাসাবাদ করেন’ বলেও জানান হাসনাত আবদুল্লাহ।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad