গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ও গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাসহ ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পুলিশ। একই মামলায় আরও ৪৫০ থেকে ৫০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মো. সাজেদুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক আহম্মেদ আলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিউটন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আতাউর পিয়ালসহ ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে এনসিপির রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একইদিন রাত ৮টা থেকে পরদিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ বর্ধিত করা হয়।
তবে শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য কারফিউ আংশিক শিথিল রাখা হয়।
জেলার অধিকাংশ সড়ক এখনও জনশূন্য। দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টহলে রয়েছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা পর্যন্ত সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে ১০০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


