গাজাবাসীর জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে মানবিক সহায়তা নিয়ে ছুটে চলা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ নৌযানগুলো ঠেকাতে তৎপর হয়ে উঠেছে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। এরই মধ্যে ভূমধ্যসাগরে গাজা উপকূলের কাছাকাছি যুদ্ধ জাহাজ মোতায়েন করেছে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার।
ফ্লোটিলার অন্তত ২১টি নৌযান তারা গাজার সমুদ্রসীমায় প্রবেশের আগেই আটকে দিয়েছে বলে গ্লোবাল সুমুদের ওয়েবসাইট ট্র্যাকার থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আরও ১৯টি জাহাজ আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় ইসরায়েলি নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কেবল পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ শহরের আল-বিরহ অভিমুখী জাহাজ ‘মিকেনো’ গাজার সমুদ্রসীমায় প্রবেশ করেছে এবং এখনও গাজায় তাদের যাত্রা চালিয়ে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওয়েবসাইটের ট্র্যাকারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা ২০ মিনিটে (আন্তর্জাতিক সময় ৮টা ২০ মিনিট) জাহাজটির অবস্থান গাজা উপকূল থেকে ১১ দশমিক ৯ নটিক্যাল মাইল দুরত্বে। তবে জাহাজটি ইসরায়েলি নজরদারি এড়াতে বেশ ধীরে চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে আলমা, আদারা, অল ইন, অরোরা, ক্যাপ্টেন নিকোস, দেইর ইয়াসিন, ফ্লোরিডা, কার্মাসহ ফ্লোটিলার বিভিন্ন নৌযান আটক করে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। জাহাজে থাকা স্বেচ্ছাসেবী, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতাসহ দুই শতাধিক আরোহীকে জাহাজসহ ইসরায়েলের আশদোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। তারা স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে ইসরায়েলের পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। তবে সব জাহাজ একসঙ্গে বন্দরে ভিড়বে না।

গ্লোবাল সুমুদের মুখপাত্র জানিয়েছেন এই নৌযানগুলোর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজ তাদের যত বেশি কাছাকাছি চলে আসে, জ্যামার থাকার কারণে সেসব জাহাজের যোগাযোগ ব্যবস্থা ততো ভেঙে যায়। নিরাপত্তাজনিত কারণে জাহাজের আরোহীরা ব্যক্তিগত মোবাইলও সমুদ্রে ফেলে দিয়েছেন বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।


