গাইবান্ধা সদর উপজেলার এক বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেনির বৃত্তি পরীক্ষা থেকে শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করার অভিযোগে তুলেন অভিভাবকরা। এর ফলে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার বিকালে উপজেলার বল্লমঝাড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনির বৃত্তি পরীক্ষা থেকে ১০জন শিক্ষার্থীকে বঞ্চিত করার অভিযোগে ওঠে।
এর আগে ১৭ নভেম্বর জেলা শিক্ষা অফিসার ও ২৪ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন ওই বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনির শিক্ষার্থী সায়েমাহ্ আক্তার স্নেহার মা মাহামুদা আক্তার শিল্পী।
অভিযোগে জানা যায়, শিক্ষাবোর্ড থেকে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের নাম নিবন্ধনের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু বিষয়টি অভিভাবকদের জানানো হয়নি। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে বা শ্রেণিকক্ষে কোন নোটিশ দেওয়া হয়নি।
এ সময় অভিভাবকরা বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে শিক্ষাবোর্ডে যোগাযোগ করে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
পরে প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে কিছু জানানো না হলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জেলা শিক্ষা অফিসার ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।
এ প্রেক্ষিতে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসানের নির্দেশে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মারজান সরকারকে প্রধান করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম সাঈদ হাসান ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এএইচএম হুমায়ুন কবিরকে নিয়ে কমিটিটি গঠন করা হয়।
এনিয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আল হাসান বলেন, তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করলে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় জেলা শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান জানান, তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দাখিল করলেই এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


