গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে সরকার।
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
আগামী বুধবার দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরিসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে ২৫ মার্চের গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।
এদিন সকাল ১০টা অথবা সুবিধাজনক সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ব্যবস্থাপনায় একটি সেমিনারের আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাণী প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হবে।
এছাড়া, দুপুর ১২টা থেকে ঢাকাসহ দেশের সব সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মিনিপোলগুলোতে গণহত্যা বিষয়ক বস্তুনিষ্ঠ ও নৈর্ব্যক্তিক দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।
দিনটি উপলক্ষে বাদ জোহর বা দিনের কোনো এক সময়ে ২৫ মার্চের রাতে নিহতদের স্মরণে সারাদেশের মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় জানানো হয়, বুধবার রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট পালন করা হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) ও জরুরি সেবাসমূহ এই কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে।
এদিকে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের কথা মাথায় রেখে এদিন রাতে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।


