খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তম সমাবর্তন আগামী ১৮ জানুয়ারি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের

। সোমবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
এ সময় সমাবর্তন আয়োজন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতি আগামী ১৮ জানুয়ারি সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি দেন।
এ সময় উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। সুন্দরবন, উপকূল, লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় উৎকর্ষতার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট, শ্রেণিকক্ষের অপ্রতুলতা এবং মাঠ গবেষণাগারের সীমাবদ্ধতার কথাও উপস্থাপন করেন উপাচার্য।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাংলাদেশের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণে গবেষণার উৎকর্ষতার মাধ্যমে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দরবনভিত্তিক গবেষণাসহ লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন, উপকূলীয় পরিবেশ ও প্রতিবেশ নিয়ে প্রায়োগিক গবেষণার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এসব গবেষণা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম গবেষণাভিত্তিক নীতি-পরামর্শ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন: ইবির পঞ্চম সমাবর্তন ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে
তিনি শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে তার বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন।
রাষ্ট্রপতি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে সপ্তম সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে শুভকামনা জানান এবং এ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


