সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্ম নিয়ে একাডেমিক গবেষণা, সাহিত্যকর্ম ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান।
রোববার খালেদা জিয়ার স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক শোকসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
উপাচার্য বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের এক বিরল প্রতীক। গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়ে তিনি বহুমাত্রিক অবদানের মাধ্যমে এ দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘মরহুমার জানাজায় সারা দেশের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তার ঐক্য সৃষ্টির সক্ষমতার এক ঐতিহাসিক প্রমাণ।’
শোকসভা কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। পরে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে ‘শিক্ষা ও জাতীয় ঐক্যে খালেদা জিয়া’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। শোকসভা সঞ্চালনা করেন কলা অনুষদের ডিন মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।
এর আগে মিলনায়তনের বাইরে স্থাপিত শোকবই উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান এস এম এ ফায়েজ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বাক্ষরের জন্য শোক বইটি আগামী তিন দিন আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমে রাখা থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, তার নেতৃত্বে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও শিক্ষার উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণ, ভিশন–২০৩০ প্রণয়ন এবং সংকটকালে দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ছিল অসামান্য।
বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) ছিলেন গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রামে আপসহীন এক আদর্শিক নেতৃত্বের প্রতীক।


