ডিপিএল, বিসিএল, এনসিলের মতো ঘরোয়া টুর্নামেন্টের আগে ক্রিকেটারদের দিতে হয় ফিটনেস পরীক্ষা। কোনো ক্রিকেটার বিপ টেস্ট কিংবা ইয়ো ইয়ো টেস্টের মানদন্ডে বিসিবির বেধে দেয়া নম্বর না পেলে সেই ক্রিকেটার অংশ নিতে পারেননি টুর্নামেন্টে, এমন নজিরও আছে। কিন্তু টুর্নামেন্ট চলাকালীন মানসম্মত খাবার নিয়ে আছে প্রশ্ন। এড হক কমিটির প্রধান হয়ে বিসিবি সভাপতির চেয়ারে বসা তামিম ইকবাল শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে মানসম্মত খাবারের ব্যবস্থা করবেন তারা।
আগামী ৪ মে ১২ দল নিয়ে ৬টি ভেন্যুতে শুরু হচ্ছে এবারের প্রিমিয়ার লিগ। এই টুর্নামেন্টের জন্য প্রতিটি ক্লাবকে ২৫ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছে বিসিবি, এর সাথে খাবারের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে বিসিবির পক্ষ থেকেই। যদিও বিসিবি সভাপতি তামিমের মতে, ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিটনেসকে প্রাধান্য দিলেও ক্রিকেটারদের ডায়েটে নজর ছিল না কারো। দুপুরের খাবারে ভাত-আলু ভর্তা-গরু মাংস থাকত মেন্যুতে।
এবার সেসবে বদল আনছে বিসিবি। ফিটনেস সম্মত খাবারের ব্যবস্থা করা প্রসঙ্গে তামিম বলেন, ‘ফিটনেস নিয়ে অনেক কথা বলতাম বা ফিটনেস নিয়ে অনেক চিন্তিত ছিলাম অনেক প্লেয়ারকে এত স্কোর না করলে অনেক টুর্নামেন্ট খেলতে দেওয়া হতো না। বাট ওই ফিটনেস টেস্ট শেষ করার পর যখন লাঞ্চ সার্ভ কর ও জায়গায় আলুভর্তা, গরুর মাংস আর ভাতই থাকে। ফিটনেসকে আলাদা গুরুত্ব দিতে চাইলে কিছু জিনিস নিয়ে কাজ করতে হবে।’
যদিও জাতীয় দল, বয়সভিত্তিক দলের ক্রিকেটারদের দুপুরের খাবার স্বাস্থ্যসম্মত, নেয়া হয় পুষ্টিবিদদের পরামর্শ। এবার ডিপিএলেও সেই ব্যবস্থা থাকছে। অবশ্য হুট করেই পুরো খাদ্যাভাস বদলাতে চান না তামিম। তার চাওয়া ধীরে ধীরে যেন তারা মানিয়ে নেন নতুন কিছুর সাথে।
সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম বলেন, ‘হঠাৎ করে ওই ভাতের অভ্যাস থেকে গ্রিলড চিকেনে নিয়ে আসা কঠিন। ন্যাশনাল টিম, আন্ডার নাইনটিন বলেন বা এ দলে যারা আছেন, তারা এটার সাথে পরিচিত। কিন্তু যারা আমাদের এই ডমেস্টিকে খেলেন তাদেরকে একদম পুরোটা চেঞ্জ করে দেওয়া তো কঠিন হবে। তাই আমরা চেষ্টা করব ভালোভাবে যেন স্বাস্থ্যসম্মত একটা মেন্যু সেটা করা যায়।’


