সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির (পিআর) নামে কেউ কেউ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে বলে মনে করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান। তার মতে দেশে সাম্প্রতিক সময়ে যত নাশকতার ঘটনা ঘটেছে সেগুলো ভারতে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করা ষড়যন্ত্রের ফল। এসবের বিরুদ্ধে সবাই সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার সকালে এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ডেমোক্রেটিক লীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনির দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্মরণসভার আয়োজন করে সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি স্মৃতি সংসদ।
আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে। জাতীয়ভাবে যারা ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনের অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদের মধ্যে যদি অনৈক্য হয় তাহলে তারা সুযোগ পেয়ে যাবেন। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন করে শপথ নিতে হবে যে, খুনি শেখ হাসিনা বিচার হতে হবে। সন্ত্রাসী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কার্য্ক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সেটা নিষিদ্ধ রাখতে হবে।’
‘জুলাই আন্দোলনে নাশকতার মূল হোতা শেখ হাসিনা। তাই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিচার কেনো দ্রুত করতে হবে। এমনকি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা প্রতিবেশী দেশে বসে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার, নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। শেখ হাসিনা সেখান থেকে দেশে তার দোসরদের দিয়ে এই ষড়যন্ত্র করাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা দেখবেন, বিভিন্ন জায়গায় নাশকতা হচ্ছে। এসব পতিত ফ্যাসিস্টদের নাশকতা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগুন, বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিকাণ্ডে কেনো এসব হচ্ছে? এসব নাশকতার মূলহোতা শেখ হাসিনা। তাই ফ্যাসিস্টদের বিচার দ্রুত করা, তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা এবং ষড়যন্ত্রকারীরা যাতে এ ধরনের নাশকতা না ঘটাতে পারে সেজন্য অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সজাগ থাকতে আহ্বান জানাব।’
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে আমান উল্লাহ আমান বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস বলেছেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধ্বে নির্বাচন হবে। ইনশাআল্লাহ আমরা মনে করি, সেই সময় হবে নির্বাচন। এই নির্বাচন কেউ রুখতে পারবে না।’


