পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, খাদ্য উৎপাদন এবং খাদ্য ঐতিহ্যকে রক্ষা করার সঙ্গে জড়িত কৃষক ও জেলেদের মর্যাদা বৃদ্ধি করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, খাদ্য কেবল করপোরেট স্বার্থের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়।
তিনি বলেন, ‘খাদ্য আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি শুধুমাত্র উৎপাদকদের সম্মানিত করার জন্য নয়, বরং আমাদের সংস্কৃতির উদযাপন হিসেবে ভূমিকা রাখে, যা ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে।’
মঙ্গলবার গুলশানের এক হোটেলে ‘টেস্ট এশিয়া ফেস্টিভ্যাল রোডশো’অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘খাদ্য শুধু বিনোদনের উপকরণ নয়, এটি ঐতিহ্য এবং আঞ্চলিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।’
বিশ্বায়নের যুগে ইন্দোনেশীয়, ফিলিপিনো, মালয়েশিয়ান এবং চীনা খাবার বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হচ্ছে। বাংলাদেশের খাবারও বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার এবং নিজস্ব ব্র্যান্ড পরিচিতি গড়ার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, যোগ করেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এশিয়ার বহুমাত্রিক রান্নাশৈলীর বৈচিত্র্য উদযাপনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘খাদ্য মানুষের মধ্যে সংযোগ ঘটায়, সংলাপের ক্ষেত্র তৈরি করে এবং ঐক্য জোরদার করে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কাইনগলেট, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এবং খ্যাতিমান শেফ টমি মিয়া এমবিইসহ অনেকে।


