কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত যুবকের নাম তাইজুল ইসলাম তাজেম (৩৮)। তিনি ওই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বুজরুক বাঁখই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশ পথের সামনের লিচু বাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
স্বজনরা বলছেন, পূর্বশত্রুতার জেরে তাজেমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের চাচাতো ভাই বিপুল হোসেন বলেন, খবর শুনে রাত ৯টার দিকে এসে রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখি। লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নিহতের বাবা আবুল কাশেম আহাজারি করতে করতে বলেন, ‘আমার ছোঁয়াল পাগল। ওরা মেলা আগেই মারে পাগল করে দিছে। বাড়ি বসে শুনলাম ছোঁয়ালের কোপায়ে হত্যা করেছে। কিডা আমার বিচার করে দিবিনি? আমার কি টাকা পয়সা আছে?’
নিহতের মা সাহিদা খাতুন বলেন, তিন-চার বছর আগে ছেলের স্ত্রী শান্তার সঙ্গে পাশের বাড়ির মিরাজের সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে অনেক ঝামেলা মারামারির পর বউকে ডিভোর্স দিয়েছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘মিরাজরা মারধর করলে ছেলে পাগল হয়া যায়। মেলা দিন হলো পাগলের চিকিৎসা চলছে। আপনারা কাগজ দেখেন।’
ঘটনাার পর থেকে অভিযুক্ত মিরাজরা সপরিবারে পলাতক রয়েছে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যা। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।


