দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত ঘিরে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও ময়দানে লাখ লাখ মুসল্লির সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঈদগাহ ময়দানকে আকর্ষণীয় ও উপযোগী করে তুলতে এরইমধ্যে ধোয়ামোছা, রং করা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে। এই ঈদ জামাতে মুসল্লিরা যেন নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন, সে জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
মুসল্লিদের যাতায়াত সহজ করতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে দুটি বিশেষ ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ময়দানের ১৯৯তম ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা এবং পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ জানান, মুসল্লিদের নিরাপত্তায় চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পুলিশ ছাড়াও মোতায়েন থাকবে র্যাব, এপিবিএন এবং পাঁচ প্লাটুন বিজিবি সদস্যরা।
পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা, আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর এবং ড্রোনের মাধ্যমে পুরো এলাকা নজরদারিতে রাখা হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।
কিশোরগঞ্জের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা ঈদ জামাতে অংশ নিতে শোলাকিয়া ময়দানে আসেন। তাদের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।’
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবার শোলাকিয়ায় প্রায় ছয় লাখ মুসল্লির সমাগমের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। সকাল ১০টায় ঈদের জামাত শুরু হবে এবং ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।


