কারাবন্দী পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ‘মৃত্যুর গুজব’ ছড়িয়ে পড়েছে। এক্স-এ অনেকেই দাবি করেছেন তার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে এই ‘গুজব’-এর সত্যতা মেলেনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে উল্টো নিরাপত্তা বাহিনীর রোষানলে পড়েছেন তার তিন বোন নোরিন খান, আলিমা খান ও উজমা খান। ‘নিরাপত্তা ঝুঁকির’ কারণ দেখিয়ে তাদের ইমরানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেয়নি কারা কর্তৃপক্ষ।
কারাগারের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করলেও নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ওপর চড়াও হয়েছে দাবি করে ইমরানের বোন নোরিন বলেন, ‘আমার বয়স ৭১। তারা আমার চুল ধরে সড়কে টানা-হেঁচড়া করেছে। আমাকে মাটিতে আছড়ে ফেলে দিয়েছে।’
এদিকে ইমরানের মৃত্যুর গুজবে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলের বাইরে হট্টগোল তৈরি হয়েছে। সেখানে তার সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে পুলিশ।
এর আগে, চলতি বছরের মে মাসেও ইমরান খানের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছিল। তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু পোস্টে দাবি করা হয়, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
পিটিআইয়ের দাবি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে একেবারে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় এক রুমে বন্দী করে রেখেছে সরকার। ইমরান খানের একজন আইনজীবী দেশটির এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বই, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এমনকি আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের ৯ মে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের ভেতর থেকে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরো (এনএবি) ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তার বিরুদ্ধে বেশকিছু মামলা হয়েছে। এর মধ্যে দুয়েকটিতে সাজাও হয়েছে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর।


