কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনার (লোকাল জিটু গাড়ি) মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। নিহত ও আহত সবাই লেগুনার যাত্রী।
বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার নয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের সেগুন বাগিচা এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (২৫), ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গজারিয়া এলাকার মৃত আবুল কাসেমের ছেলে মো. রফিক (২৯), চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের শিয়ালকাটা এলাকার মৃত মঞ্জুর আলমের ছেলে মো. শাহেদ (২৭) এবং ঈদগাঁও উপজেলার নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের ছেলে জিয়াবুল হক (২৫)।
আহতরা হলেন ঈদগাঁও উপজেলার নতুন অফিস এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে জিয়াবুল হক (৪০), নাপিতখালী এলাকার সৈয়দ আলমের ছেলে মো. সরোয়ার (১৯), একই এলাকার আলী মিয়ার ছেলে সৈয়দ আলম (৫০), চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার বদরুদ্দোজার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৫) এবং টেকনাফের কেরুনতলী এলাকার রহমত করিমের ছেলে সৈয়দ করিম (৩০)।
মালুমঘাট হাইওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সামছুজ্জামান বলেন, ‘কক্সবাজারমুখী লাল-সবুজ পরিবহন সার্ভিসের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবোঝাই লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনা দুমড়ে-মুচড়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে। গাড়িতে থাকা নয়জন যাত্রী গুরুতর আহত হন।’
তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর বাসটির চালক ও সহকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের মালুমঘাট খ্রিস্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতাল ও কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।’
এসআই সামছুজ্জামান বলেন, ‘হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় জসিম উদ্দিন মালুমঘাট খ্রিস্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালে মারা যান। অপর তিনজন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আহত পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’
তিনি জানান, ‘দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও লেগুনা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে স্বাভাবিক হয়।


