প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবাকে চ্যারিটি নয়, নাগরিক অধিকার হিসেবে দেখছে সরকার বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষাবিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুলও বক্তব্য দেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্য নাগরিকদের মতো প্রতিবন্ধীরাও যেন সমান অধিকার পান, সে জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
তিনি জানান, ঢাকার কড়াইল বস্তিতে প্রতিবন্ধী শিশু শনাক্তকরণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্পের আওতায় দেশের ২২ জেলার ২২ উপজেলায় প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সব শ্রেণির ট্রেন ও মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধীদের ২৫ শতাংশ ভাড়া ছাড় দেওয়া হচ্ছে। নতুন স্টেশনগুলোতে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। টিকিট কাটা, যানে ওঠা ও টয়লেট ব্যবহার সহজ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিশেষায়িত স্কুলের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও প্রতিবন্ধীবান্ধব করা হচ্ছে। হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী শিশুর শিক্ষার সুযোগ, পাঠ্যক্রম সংস্কার, ব্রেইল ও সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিবন্ধীবান্ধব কয়েকটি প্রকল্প নিয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল বলেন, ভৌত অবকাঠামোর পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও প্রতিবন্ধীদের প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই সরকারের লক্ষ্য।


