বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাংশ, আপ বাংলাদেশ এবং এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের ৪৫ জন নেতাকর্মী জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন।
রোববার রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এই সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম নতুনদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘এনসিপিতে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের যোগদান একটি চলমান প্রক্রিয়া।’ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সবাইকে এখানে স্বাগত জানানো হচ্ছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘কারও সাবেক রাজনৈতিক পরিচয় এনসিপির কাছে মুখ্য নয়। ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র অধিকার পরিষদ এমনকি ছাত্রলীগের কেউ এলেও আজ থেকে তিনি এনসিপির কর্মী হিসেবে গণ্য হবেন।’
তবে দলে যোগদানের ক্ষেত্রে কঠোর শর্তের কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ বা গণহত্যার সমর্থক, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ বা সন্ত্রাসীদের এনসিপিতে কোনো স্থান হবে না।’ বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এবি পার্টি থেকে যোগ দিয়ে আব্দুল হক সানি জানান, সংস্কারের প্রশ্নে জুলাইয়ের ঐক্য বজায় রাখতেই তার এই নতুন পথচলা। সাবেক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশীদ বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের সর্বশেষ গন্তব্য হবে এনসিপি। আপ বাংলাদেশের প্রধান উদ্যোক্তা ও ছাত্রশিবিরের সাবেক দুই নেতা আলী আহসান জুনায়েদ ও রাফে সালমান রিফাতও এই যাত্রায় শামিল হয়েছেন।
নতুন যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মাহীরন সুলতানা ইরা, আয়মান রাহাত, হাসিব আল ইসলাম, এস.এম. সুইট, সুলতান মারুফ তালহা এবং সাজ্জাদ সাব্বিরসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা। সংস্কারের প্রশ্নে জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে তারা এনসিপির ব্যানারে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


