ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, একজনের প্রাণহানি

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, একজনের প্রাণহানি
ভূমিকম্পের পর আতঙ্কিত হয়ে রাস্তায় নেমে আসেন হাজারও মানুষ। ছবি: এপি/ইউএনবি
Advertisement
Advertisement

ইন্দোনেশিয়ার মালুকু সাগর এলাকার টারনেটে দ্বীপের কাছে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ভূমিকম্প শনাক্তকারী সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যমতে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৪৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার।

প্রধান ভূমিকম্পের পর ৫ দশমিক ৫ ও ৫ দশমিক ২ মাত্রার অন্তত দুটি আফটার শক অনুভূত হয়। কর্তৃপক্ষ আরও পরাঘাতের আশঙ্কা করছে।

জাতীয় ভূতাত্ত্বিক সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের প্রায় এক ঘণ্টা পর অসংখ্য ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং বহু মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় বার্তা সংস্থা আনতারা জানিয়েছে, শক্তিশালী ওই ভূমিকম্পে দেশটির উত্তর সুলাওয়েসি অঞ্চলের একটি ভবন ধসে ৭০ বছর বয়সী এক নারী চাপা পড়ে মারা যান। এছাড়া আরেক ব্যক্তি ভূমিকম্পের তীব্রতায় আতঙ্কিত হয়ে ভবন থেকে লাফ দিয়ে নামতে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

আরও পড়ুন

এদিকে ভূমিকম্পের পর হাওয়াইভিত্তিক প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি প্রথমে গুয়াম, জাপান, মালয়েশিয়া, পাপুয়া নিউগিনি, ফিলিপাইন ও তাইওয়ানের উপকূলে ০ দশমিক ৩ মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ আঘাত হানতে পারে বলে সতর্কতা জারি করে। তবে দুই ঘণ্টা পর এই সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।

মানাদোর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ হলেও গত অন্তত ছয় বছরের মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর একটি।

স্থানীয় সাংবাদিক ইসভারা সাফিত্রী বিবিসিকে জানান, ভূমিকম্পের সময় তার ঘরের আসবাবপত্র কয়েক সেকেন্ড ধরে কাঁপছিল। তিনি বলেন, ‘কম্পনটি খুবই শক্তিশালী ছিল, আমার মাথাও ঘুরে উঠেছিল। ঘরের বাইরের সড়কও কাঁপছিল এবং গত ছয় বছরে এটিই আমার অনুভূত সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।’

সুলাওয়েসির উত্তর-পূর্ব উপকূলের শহর বিতুংয়ের বাসিন্দা ইয়ায়ুক অকতিয়ানি জানান, তিনি প্রায়ই ভূমিকম্প অনুভব করেন, ‘কিন্তু এত শক্তিশালী ভুমিকম্প আগে কখনো অনুভব করেননি’।

সূত্র: বিবিসি

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad