জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানের প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি।
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতার পরিচালিত ‘আজকের কণ্ঠ’ নামের অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ সংবাদের ভিত্তিতে এ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছে এনসিপি।
সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বলেন, আওয়ামী লীগের ‘দোসরদের’ ছড়ানো গুজব ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার ভিত্তিতে দুদককে ব্যবহার করা হচ্ছে।
তাদের দাবি, এর মাধ্যমে দুদককে দলীয়করণ করা হয়েছে এবং গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের চরিত্রহনন ও ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে দমনে প্রতিষ্ঠানটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে তারা বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের তথ্যসূত্রহীন ‘কাল্পনিক’ সংবাদের ভিত্তিতে দুদক অনুসন্ধান চালালে প্রতিষ্ঠানটির নিরপেক্ষতা ও নৈতিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। গণঅভ্যুত্থানের রূপকারদের রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতেই এ ধরনের ‘সাজানো অপতৎপরতা’ শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
তবে স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং জুলাই সনদের ঘোষিত প্রক্রিয়ায় পুনর্গঠিত দুদক গঠন করা হলে যেকোনো অভিযোগের মুখোমুখি হতে এবং সুষ্ঠু তদন্তে এনসিপি পূর্ণ সহযোগিতা করবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
এনসিপি নেতারা আরও বলেন, নিরপেক্ষ তদন্তের নামে দুদককে বিরোধী দল ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনকারীদের দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
সরকারকে ‘পতিত ফ্যাসিবাদীদের পদচিহ্ন অনুসরণ’ না করার আহ্বান জানিয়ে তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি বন্ধ এবং জুলাই সনদের চেতনা অনুযায়ী স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত দুদক পুনর্গঠনের দাবি জানান। অন্যথায় সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তারা।


