জাইমা রহমান বলেছেন, ‘ভিন্ন এক অনুভূতি ও আবেগ নিয়ে আমি এখানে দাঁড়িয়েছি। আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে। দেশের জন্য কিছু করার আন্তরিকতা সবার মধ্যেই থাকা উচিত।’
রোববার রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ঢাকা ফোরাম আয়োজিত ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রথমবারের মতো বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন জাইমা রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান বলেন, বাংলাদেশের পলিসি পর্যায়ে এটি তার প্রথম বক্তব্য।
তিনি বলেন, তিনি (জাইমা) এমন কেউ নন যার কাছে সব প্রশ্নের উত্তর আছে বা সব সমস্যার সমাধান জানা আছে। তারপরও তিনি বিশ্বাস করেন, নিজের ছোট্ট জায়গা থেকেও সমাজ ও দেশের জন্য কিছু করার আন্তরিকতা সবার মধ্যেই থাকা উচিত।

তিনি আরও বলেন, আজ যারা এখানে উপস্থিত, সবাই একরকম নন। সবার আদর্শ, অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা। তবু সবাই একসঙ্গে বসে আলোচনা করছেন। কারণ, সবাই দেশের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য ভাবছেন। এই ভিন্নতা নিয়েই একসঙ্গে কথা বলা, একে অন্যের কথা শোনা—এটাই গণতন্ত্রের আসল সৌন্দর্য।
উন্নয়নে নারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া বাংলাদেশ খুব দূর এগোতে পারবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। জনসংখ্যার অর্ধেক অংশকে একপাশে রেখে কোনো দেশ টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না বলেও তিনি বলেন।
অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন বলেন, নারীদের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হলো অর্থায়নে প্রবেশাধিকার। নারী উদ্যোক্তারা, বিশেষ করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা, ঋণ পেতে নানা সমস্যার মুখে পড়েন। ভবিষ্যতে যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবেন, তাদের এই বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, নারীরাই অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতিচ্ছবি। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশ উত্তরণের পর নারীরা নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


