জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।
রোববার অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বে দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ জবানবন্দি গ্রহণ করে।
জবানবন্দি গ্রহণ অসমাপ্ত থাকা অবস্থায় শুনানি সোমবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।
ওই মামলায় বেরোবির সাবেক উপাচার্য (ভিসি) হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার ২৫তম সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনের তদন্ত চলাকালে কোথায় থেকে, কবে এবং কীভাবে আলামত জব্দ করেছেন তার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। গত ১৮ ডিসেম্বর তার জবানবন্দি গ্রহণ শুরু হয়।
জবানবন্দি শেষে আসামিদের আইনজীবীরা তাকে জেরা করবেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, শেখ মইনুল করিম ও আবদুস সাত্তার পালোয়ান।
এরই মধ্যে মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন-সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। সাবেক ভিসিসহ বাকি ২৪ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।
গত ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশন সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করে। ৩০ জুন ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়। পলাতক আসামিদের পক্ষে ২২ জুলাই রাষ্ট্রীয় খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


