বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান উন্নয়ন কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় পরিহার করে প্রয়োজনভিত্তিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি মেডিকেল সেন্টারের সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার বেলা ২টায় গাজীপুরে উপাচার্যের দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড এস্টেট বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচিত হন।
সভায় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. মাহফুজ-উল আলম বিভাগের চলমান কার্যক্রম ও অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি উপআঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোর জমি অধিগ্রহণ ও ক্রয়ের সর্বশেষ অবস্থা, জনবল কাঠামো, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কেন্দ্রগুলোর সার্বিক চিত্র, আধুনিক মেডিকেল সেন্টার এবং আইটিভিইটি স্থাপনের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন।
এ ছাড়া উত্তরা আঞ্চলিক কেন্দ্রের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপন উদ্যোগ, বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি, বাজেট বরাদ্দ, ডিপিপি ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষা কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড এস্টেট বিভাগের বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. রেজাউল ইসলাম মূল ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও উপআঞ্চলিক কেন্দ্রের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সম্পন্ন ও চলমান নির্মাণকাজের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন। একই সঙ্গে বিভাগের গৃহীত পদক্ষেপ, চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে সমন্বিতভাবে এগিয়ে যাওয়াই তার অগ্রাধিকার।’ বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে বাস্তববাদী হওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি অবকাঠামো নির্মাণে গুণগত মান নিশ্চিত করা, তদারকি জোরদার করা এবং ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ ও লিফটসহ মৌলিক সুবিধার উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
সভায় উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, ট্রেজারার অধ্যাপক আবুল হাসনাত মোহা. শামীম এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি.এম. আহমেদ হুসেইন বক্তব্য দেন। এ সময় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড এস্টেট বিভাগের সব পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


