হামের সংক্রমণ ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের ১৮ জেলায় বিশেষ ও জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার সকাল ৯টায় একসঙ্গে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য এ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সারা দেশে ৩০টি উপজেলাকে ‘হটস্পট’ বা উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়জুড়ে এই কার্যক্রম চলবে এবং পর্যায়ক্রমে আরও এলাকায় সম্প্রসারণ করা হবে। ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন:
নাটোর
নাটোরে শহরের রাণী ব্রজসুন্দরী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন। এ সময় ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন কামাল উদ্দিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে নাটোর সদর উপজেলাও রয়েছে। এ কারণে সদর উপজেলায় আটটি কেন্দ্রে মোট ১৮ দিনব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর মধ্যে পৌরসভায় ছয়টি সাব-সেন্টার এবং আরও দুটি কেন্দ্র রাখা হয়েছে।
সদর উপজেলায় মোট ৩৬ হাজার ২৩৪ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে পৌরসভা এলাকায় রয়েছে ১২ হাজার ১৮০ জন। প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার ২৯৪ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে পৌরসভায় প্রতিদিন প্রায় ৬০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। টিকাদান কার্যক্রমে অংশ নিয়ে অভিভাবকরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
মাদারীপুর
মাদারীপুর সদর উপজেলা ও পৌরসভায়ও হামের জরুরি টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সকালে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ শরীফুল আবেদীন কমল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইকরাম হোসেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার অখিল সরকার এবং পৌরসভার মেডিকেল অফিসার হরষিত বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্টরা।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, কর্মসূচির প্রথম দিনে সদর উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ হাজার ৯০৭ জন শিশুকে হামের টিকা প্রদান করা হবে। উপজেলার ২৪টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং আগামী তিন সপ্তাহ টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকবে।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, হামের সংক্রমণ প্রতিরোধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনার জন্য অভিভাবকদের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালেও সকাল নয়টায় টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এই কর্মসূচি উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, জেলার নয় উপজেলায় এই কর্মসূচির আওতায় ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী যেসব শিশু আগে টিকা থেকে বাদ পড়েছিল, তাদের টিকা দেওয়া হচ্ছে।
তবে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে থাকায় প্রথমে জেলা সদর হাসপাতাল থেকেই কার্যক্রম শুরু হয়েছে, পর্যায়ক্রমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও এটি সম্প্রসারণ করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়।
জেলা সিভিল সার্জন মো. নোমান মিয়া জানান, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে বর্তমানে দেড় লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ৫০ হাজার হামের টিকা মজুদ রয়েছে। এসব টিকা শিশুদের দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আরও টিকার চাহিদা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে, যা দ্রুত সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি।
টিকাদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রতন কুমার ঢালী, শিশু বিশেষজ্ঞ আক্তার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় গত এক সপ্তাহে ৫১ জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে ৩০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বাকি ২১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় সাতজনকে হামে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে আক্রান্তদের আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পাবনা
পাবনায় সকাল থেকে শিশুদের সংক্রামক হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চরঘোষপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, এই কর্মসূচির আওতায় সদর, আটঘরিয়া, বেড়া ও ঈশ্বরদী উপজেলায় মোট এক লাখ ৮৩ হাজার ৬৬৬ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি, বিশেষ করে দোগাছি ও হেমায়েতপুর ইউনিয়নে।
সচিব বলেন, হামের সংক্রমণ প্রতিরোধে শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচি চলমান থাকবে এবং আগামী জুন থেকে যে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে একীভূত করে অব্যাহত রাখা হবে। এ ছাড়া ৬০৪ কোটি টাকার ১০ ধরনের টিকা কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করে সরকার ইউনিসেফকে চিঠি দিয়েছে, ফলে বর্তমানে টিকার কোনো সংকট নেই জানিয়ে আশ্বস্ত করেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কামরুজ্জামান চৌধুরী আশা প্রকাশ করে জনান, সবার প্রচেষ্টা আর সহযোগিতায় হামের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
ঝালকাঠি
ঝালকাঠিতে শিশুদের হাম ও রুবেলা রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এদিন দুপুরে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ জিয়াউদ্দিন হায়দার।
তিনি জানান, দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় ৩০টি এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দ্রুততম সময়ে এই জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে এবং সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে টিকাদান কর্মসূচির আয়োজকরা জানান, শিশুদের মধ্যে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে এই টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল, ঝালকাঠি জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন, সিভিল সার্জন হুমায়ুন কবিরসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
নেত্রকোনা
নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলাকে হটস্পট ঘোষণা করে এদিন সকাল থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে উপজেলার তিনটি কেন্দ্রে এ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধী টিকা প্রদান করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় জরুরি ভিত্তিতে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত টিকা ও স্বাস্থ্যকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে যাতে কোনো শিশুই টিকার বাইরে না থাকে। অভিভাবকদের নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার জন্য ব্যাপক প্রচারণাও চালানো হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। সময়মতো টিকা প্রদানই এ রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তাই সব অভিভাবকের সচেতন অংশগ্রহণ জরুরি।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
রাজশাহী
রাজশাহী বিভাগের পাঁচ জেলায় তিন সপ্তাহব্যাপী বিশেষ হাম টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার সকাল ৯টায় গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।
তিনি জানান, এই কর্মসূচির আওতায় মোট ৫৬ হাজার ৬০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম দিনেই ২৭টি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চালু হয়েছে এবং প্রায় পাঁচ হাজার ৬০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
সিভিল সার্জন এস আই এম রাজিউল করিম জানান, ৫ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হবে। যেসব শিশু আগে টিকা নিয়েছে, তাদেরও নির্ধারিত সময়ের ব্যবধানে পুনরায় টিকা দেওয়া হচ্ছে যাতে পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে জেলায় প্রায় ৪০ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে এবং প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে বলে জানান তিনি।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে চলছে এবং টিকা নিতে মানুষের মধ্যে কোনো অনীহা দেখা যাচ্ছে না।
চাঁদপুর
দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে চাঁদপুর সদর, পৌরসভা ও হাইমচর উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ৫ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।
জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান শহরের উত্তর শ্রীরামদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, এই তিন এলাকায় মোট ৭২ হাজার ৮৭৪ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিভিল সার্জন মোহাম্মদ নুর আলম দ্বীন জানান, ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে এবং প্রতিটি গ্রাম ও মহল্লায় নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৭ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত জেলায় হামে আক্রান্ত হয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক করে তুলেছে। ফলে স্বাস্থ্য বিভাগ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এই টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
বরিশাল
বরিশাল বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। সকালে নগরীর কাউনিয়া এলাকায় নগর মাতৃসদন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আত্তার জাহান শিরিন জানান, নগরীতে হামের প্রাদুর্ভাব তুলনামূলক কম থাকলেও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল জেনারেল হাসপাতালসহ নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ৪৮৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, ২৮১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এবং ৬১২ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বিভাগের বিভিন্ন জেলায়-বিশেষ করে বাকেরগঞ্জ, মেহেন্দীগঞ্জ, নলছিটি ও বরগুনা সদর এলাকায় এই টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, অভিভাবকদের অংশগ্রহণ বাড়লে দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।


