সুপার এইটে টানা দুই জয়ে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে সবার আগে। শুক্রবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের স্পিন ট্র্যাকে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে পেল টানা তৃতীয় জয়। ১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও টম ব্যান্টন, রেহান আহমেদ আর ম্যাচ সেরা হওয়া উইল জ্যাকসের কার্যকরী ইনিংসে ৪ উইকেটে জিতল ইংল্যান্ড। ৩ বল বাকি থাকতে হেরে যাওয়া এই ম্যাচ শেষে ঝুলে রইল কিউইদের সেমির আশা। তবে দৌড়ে টিকে রইল পাকিস্তান।
অবশ্য ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলে কোনো প্রকার সেমির দৌড়ে এগিয়ে থাকত নিউজিল্যান্ড, কারণ নেট রান রেটে পাকিস্তানের চেয়ে ঢের এগিয়ে ছিল তারা। যদিও এই হারের পরেও নেট রান রেটের পার্থক্য এখনো অনেক বেশি কিউইদের। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ১.৩৯০ নিয়ে, যেখানে পাকিস্তানের নেট রান রেট -০.৪৬১। এদিকে টানা দুই হারে সেমির দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়া শ্রীলংকার বিপক্ষে ২৮ ফেব্রুয়ারি পাল্লেকেলেতে বড় ব্যবধানে জয় পেলেই কেবল নেট রান রেটে নিউজিল্যান্ডকে পেছনে ফেলতে পারবে তারা।
এই সমীকরণের মারপ্যাঁচে পড়ার আগে অবশ্য কলম্বোতে চলেছে স্পিনের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং মাস্টারক্লাস। স্পিন ট্র্যাকে ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর হ্যারি ব্রুক-জ্যাকব বেথেলের ৩৫ বলে ৪৮, স্যাম কারান-টম ব্যান্টনের ৩৫ বলে ৪২ ও অষ্টম উইকেটে উইল জ্যাকস-রেহান আহমেদের ১৬ বলে ৪৪* রানের জুটিতে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড।
এর আগে ২৩ রানে ২ উইকেট নেয়া জ্যাকস ব্যাট হাতে নেমে ছড়ি ঘুরিয়েছেন কিউই স্পিনারদের ওপর। শেষ তিন ওভারে ৪৮ রান লাগলেও গ্লেন ফিলিপসের করা ১৮ তম ওভারে ২২ রান তোলে ইংল্যান্ড, যার বেশিরভাগই এসেছে জ্যাকসের ব্যাট থেকে। ১৮ বলে ৩২* রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার, রেহান ৭ বলে করেন ১৯* রান।
এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পেলেও মিডল ওভারে খেই হারায় নিউজিল্যান্ড। ওপেনিংয়ে ৬৪ রানের জুটি এলেও দলীয় ১০০ পেরোনোর আগেই পতন হয় তৃতীয় উইকেটের। এরপর আদিল রশিদের সাথে জ্যাকস আর রেহানের স্পিনে ৩৮ রানের মধ্যে পড়ে মিডল ওভারে। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন ফিলিপস।


