ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আগামী ৯ জুলাই তার নিজ শহর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নগরী মাশহাদে দাফন করা হবে।
শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রায় ৩৭ বছর ইরানের নেতৃত্বে থাকা খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, তেহরানে আগামী ৪ জুলাই থেকে তিন দিনব্যাপী তার বিদায়ী আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ৭ জুলাই কোমে আরেকটি শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত মার্চ মাসে নির্ধারিত দাফন অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়েছিল।
জাতীয় পর্যায়ের এই শোকানুষ্ঠান শুরুর দিনটি (৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের সঙ্গে একই দিনে পড়ছে।
খামেনির মৃত্যুর পর মার্চের শুরুতে তার ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেন। ১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর তিনি দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পিতার সঙ্গে একই হামলায় আহত হওয়া মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পর এখনো জনসমক্ষে আসেননি। বর্তমানে তার নামে প্রকাশিত বিবৃতির মাধ্যমেই তিনি রাষ্ট্রীয় যোগাযোগ রক্ষা করছেন।


