আমদানি নির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাসসহ বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কমাতে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন মন্ত্রিসভা।
রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপত্ত্বিতে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন আইনের খসড়ার অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।
পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমদানি নির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কমানো, অধিকতর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে সরকার।
এতে বলা হয়, আগামী গ্রীষ্মের পূর্বে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ইতিমধ্যে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও সরকারি কোম্পানির স্থাপনার ছাদে বিনিয়োগকারীর অর্থায়নে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে, যে সব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আয় আছে, তাদের ভবিষ্যৎ আয় বিবেচনায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনেরও সুযোগ রাখা হয়েছে।
ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে স্থাপনের ক্ষেত্রে গ্রাহক কর্তৃক দীর্ঘ (পনের বৎসর) মেয়াদে বিদ্যুৎ ব্যবহারের মূল্য নির্ধারণ, ছাদের ভাড়া হিসেবে বিদ্যুতের শেয়ার এবং রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো বিধিবিধান নেই।
সেই সঙ্গে, সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন এবং সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬; ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬ এবং বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-তে সুনির্দিষ্ট কোনো বিধিবিধান না থাকায় ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়।
মন্ত্রিসভায় খসড়া অধ্যাদেশটি লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।
পাশাপাশি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রণালয়ের নতুন নাম রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।


