বিস্ফোরণ মামলায় আ.লীগ নেতাসহ আরও দুই আসামির রিমান্ড

বিস্ফোরণ মামলায় আ.লীগ নেতাসহ আরও দুই আসামির রিমান্ড
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

রাজধানীর গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার মহিসাষুড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদসহ (৪১) গ্রেপ্তার দুইজনকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-অর-রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামি হলেন-মো. রফিক (৪০)। যাকে রিমান্ড আবেদনে পুলিশ আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন। এর আগে মঙ্গলবার ভাটারা থানা থানা এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

এর আগে, আসামীদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন। আসামীপক্ষের পক্ষের আইনজীবী শেখ ফরিদ রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে।

এর আগে গত শনিবার এই মামলায় ২৪ জনকে রিমান্ডে পাঠায় আদালত। পরদিন রোববার নয়জন এবং সোমবার আরও নয়জনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত। পরে মঙ্গলবার আরও সাতজনকে কারাগারে পাঠান আদালত।

আরও পড়ুন

মামলার অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর গুলশান থানাধীন এলাকায় গত ১১ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১২টায় নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করা সহ সরকার বিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলরে লক্ষ্যে কার্যক্রম স্থগিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। তারা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান প্রদান ও বিশৃঙ্খলা করার লক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করেন।

এ সময় তারা ঘটনাস্থল ও আশপাশ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। অজ্ঞাতনামা আসামিরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য হয়ে নিষিদ্ধ সত্ত্বাকে সমর্থন করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগনের জানমালের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে তথা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী শ্লোগান প্রদান ও বিশৃঙ্খলা করার লক্ষ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান৷

পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পুলিশের উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়লে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান।

এ সময় পাঁচটি ককটেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮০/১০০ জনকে আসামি করা হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad