পঞ্চগড় সদর উপজেলায় স্বামী আলম হককে (৩০) পানির সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তারকে (২৫) পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। সোমবার বিকালে তাকে আটক করে পুলিশ।
ঘটনাটি পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের শিংরোড প্রধানপাড়া এলাকার। আলম ওই এলাকার তসলিম উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে খাবারের সময় পানির সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে স্বামীকে খাওয়ান মৌসুমী। কিছুক্ষণ পর আলম অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল ও পরে রংপুরে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
সোমবার পুলিশ ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে মৌসুমী স্বীকার করেন, স্থানীয় বাবুল হোসেনের দেওয়া ট্যাবলেট পানিতে মিশিয়ে স্বামীকে খেতে দিয়েছিলেন। তার দাবি, শারীরিক সম্পর্ক না করলে মেয়েকে গুম করার হুমকি দিয়ে বাবুল তাকে ট্যাবলেট দিয়ে জানায় এটি ঘুমের ওষুধ। এটি খেলে মৃত্যু হবে–তা তার জানা ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।
আলমের ভাই জাকির হোসেন জানান, খাওয়ার সময় তার ভাই তেতো অনুভব করেন এবং কিছুক্ষণ পর বমি শুরু করেন। এতে তাদের সন্দেহ হলেও প্রথমে মৌসুমি অস্বীকার করেছিলেন। পরে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সত্য প্রকাশ করেন। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান জানান, মৃত্যুর পর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয় এবং মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।


