নিবন্ধন পেতে এনসিপির প্রস্তুতি চুড়ান্ত

নিবন্ধন পেতে এনসিপির প্রস্তুতি চুড়ান্ত
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও দলীয়ভাবে বিচারের দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাম্প্রতিক কর্মসূচি। ছবি: ফোকাস বাংলা
Advertisement
Advertisement

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নিবন্ধন প্রক্রিয়ার আবেদন চলতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন সারজিস আলম। এজন্য চলছে চুড়ান্ত প্রস্তুতি।

সোমবার এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস জানান, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পেতে যে ১০০টি উপজেলা এবং প্রায় ২২টি জেলায় কমিটি প্রয়োজন হয় সেগুলো এনসিপির ইতোমধ্যে হয়ে গিয়েছে। এখন সবখানে অফিস নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সাংগঠনিক কাজের জন্য কয়েকদিন যাবত উত্তরাঞ্চলে অবস্থান করছেন সারজিস আলম। সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় বাজারে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তার পাশে ছিলেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

পঞ্চগড় বাজারে এনসিপির দুই মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

সারজিস আলম বলেন, ‘নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দলের যে রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন, তার আবেদন করার প্রক্রিয়াটি চলতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারব বলে আশা করছি। এই নিবন্ধন পেতে যে ১০০টি উপজেলা এবং প্রায় ২২টি জেলায় কমিটি প্রয়োজন হয় সেগুলো এনসিপির ইতোমধ্যে হয়ে গিয়েছে এবং অফিস নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

‘জাতীয় নাগরিক পার্টি সাংগঠনিক যে কার্যক্রম এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছে। সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার এই প্রক্রিয়া রাজধানী থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে গেলে অটোমেটিক নির্বাচন কেন্দ্রিক প্রস্তুতি হয়ে যায়। যথাসময়ে নিয়মানুযায়ী প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতো আমরা নিবন্ধন কার্যমক্রম সম্পন্ন করব।’

আরও পড়ুন

নির্বাচনের বিষয়ে সারজিস বলেন, ‘যদি বিচারিক প্রক্রিয়া এবং মৌলিক সংস্কারগুলো আমাদের সামনে দৃশ্যমান হয়, তাহলে এপ্রিলে নির্বাচন হলে আমাদের কোনো দ্বিমত নেই। এর আগে অবশ্যই বিচার বিভাগের, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর, নির্বাচন কমিশনের সংস্কার হতে হবে।’

‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আমরা সবসময় দেখে এসেছি, নির্বাচনের সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়, কালো টাকার-পেশীশক্তির ব্যবহার করা হয়। এসব থামাতে হবে। অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের এই নির্বাচনে আমরা লেভেল প্লেয়িং একটি ফিল্ড দেখতে চাই।’

এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ এ নেতা বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র দখল করা, ব্যালট চুরি করা, এই টাইপের ঘটনাগুলো আমরা আগামীর বাংলাদেশে দেখতে চাই না। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন কমিশন এবং বিচার বিভাগ যেন পেশাদারিত্বের পরিচয় দেয় সেটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।’

সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের দেশে ফেরার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সারজিস বলেন, ‘অভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট নিয়ে গঠন করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ ধরণের ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেয় সেটা আমরা অবজার্ভ করছি। ফ্যাসিস্ট হাসিনার যারা দোসর ছিল, যারা তাদেরকে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছে তাদের ব্যাপারে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ চাই। অবশ্যই এটা যেন আইনগত প্রক্রিয়ায় হয়।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad