নববর্ষে দেশ পুনর্গঠনে ঐক্যের ডাক চসিক মেয়রের

নববর্ষে দেশ পুনর্গঠনে ঐক্যের ডাক চসিক মেয়রের
সোমবার বিকালে নগরীর সিআরবি শিরিষতলা এলাকায় বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান | ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র শাহাদাত হোসেন নববর্ষ উপলক্ষে দেশ পুনর্গঠন, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সুসংহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘দীর্ঘ ১৬ বছরের দুঃশাসন অতিক্রম করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই।’

সোমবার বিকালে নগরীর সিআরবি শিরিষতলা এলাকায় বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নববর্ষ উদযাপন পরিষদ, চট্টগ্রাম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু সুফিয়ান।

মেয়র বলেন, ‘পুরাতন ১৪৩২ বঙ্গাব্দকে বিদায় জানিয়ে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করার এ মুহূর্তে আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে আরও সচেতন হতে হবে।’

তিনি গাছের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গাছ মানুষের পরম বন্ধু–এগুলো আমাদের অক্সিজেন দেয় এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। প্রায় ১২৫ বছর পুরোনো ঐতিহাসিক শিরিষ গাছটিকে তিনি নগরীর মূল্যবান সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন

করোনাকালের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে মেয়র বলেন, ‘তখন মানুষকে অক্সিজেনের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে, অথচ প্রকৃতি প্রতিনিয়ত আমাদের বিনামূল্যে এই জীবনরক্ষাকারী উপাদান দিচ্ছে। তাই পরিবেশ ও গাছপালা রক্ষা করা সবার নৈতিক দায়িত্ব।’

তিনি আরও বলেন, ‘একসময় সিআরবি এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণ দীর্ঘদিন আন্দোলন করে এ স্থানকে রক্ষা করেছে, যা চট্টগ্রামবাসীর পরিবেশ সচেতনতার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।’

মেয়র জানান, জায়গাটি রেলওয়ের অধীনে হলেও এর সংরক্ষণে নগরবাসীর সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে। একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ নগরী গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘বাংলা মাস ও ছয় ঋতুর ঐতিহ্য সম্পর্কে তাদের জানাতে হবে। সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত না হলে দেশপ্রেম বিকশিত হয় না।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম, আবুল হাশেম বক্কর, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উদযাপন পরিষদের পক্ষে বক্তব্য দেন নিয়াজ মোহাম্মদ খান, মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, এম আর মঞ্জু, নুরুল আফসার মজুমদার স্বপন, হাসান মারুফ রুমি, ফারুক তাহের, মোহাম্মদ আলী, এম এ মুসা বাবলুসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতা, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad