নড়াইল সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপ এবং খলিল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ উভয় পক্ষের চারজন নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নড়াইল জেলার সহকারী পুলিশ সুপার টাইমস অব বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন নড়াইল সদর উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলায় পাঁচজন খুনের ঘটনা ঘটেছে । নিহতরা হলেন খলিল শেখ (৭০), তার ছেলে তাহাজ্জত শেখ (৪১), ফেরদাউস হোসেন (৪০) , তার ছেলে মুন্না শেখ ও খায়ের মোল্লার সমর্থক ওসিকুর ফকির (৩৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের ও খলিলের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে সোমবার ভোরে বড়কুলা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও একই পক্ষের ফেরদৌস হোসেন মারা যান। এ সময় খায়ের গ্রুপের ওসিবুরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে নিহত রহমান খলিলের স্বজনরা জানান, খায়ের মোল্যা ও তার সহযোগীরা সেহরির পর ভোরে রহমান খলিল, তাহাজ্জুদ হোসেন ও ফেরদৌস হোসেনেকে ঘর থেকে টেনে বের করে প্রথমে গুলি করেন এবং পরে তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপান। খলিল গ্রুপকে ফাঁসানোর জন্য তারা নিজেদের গ্রুপের ওসিবুর মিয়াকেও হত্যা করেছেন।
ওসি ওলি মিয়া বলেন, ‘এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা যায়নি। তবে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।’


