গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মশার উপদ্রব ব্যাপকভাবে বেড়েছে। মশার উৎপাত বৃদ্ধির ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তিতুমীর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ফেরদৌস সালাম ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মশার উপদ্রবের কারণে দিনের বেলাতেও অনেক শিক্ষার্থী মশারি টাঙিয়ে পড়াশোনা করছেন। হলগুলোর আশপাশের ড্রেনে নোংরা পানি জমে থাকা এবং খেলার মাঠের পাশে ময়লার স্তূপ পড়ে থাকায় মশার প্রজনন বাড়ছে বলে শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নিউমার্কেট, হল চত্বর ও সেন্ট্রাল ফিল্ডেও সন্ধ্যার পর মশার কামড়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একাধিকবার মশানিরোধক ওষুধ ছিটানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও কার্যকর ফল মেলেনি। তারা নিয়মিত মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা, ড্রেন পরিষ্কার, জমে থাকা পানি অপসারণ ও ময়লার স্তূপ দ্রুত সরানোর দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট দপ্তরের পরিচালক নিজামুল হক বলেন, ডেঙ্গু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি সমাধানে প্রক্টরকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পৌরসভাকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং তারা ফগিং স্প্রে করবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আহসান সৌরভ জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে যশোরের নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া মশার লার্ভা ধ্বংসসহ কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।


