কালের কণ্ঠের ডিক্লারেশন বাতিল কেন নয়: হাইকোর্ট

কালের কণ্ঠের ডিক্লারেশন বাতিল কেন নয়: হাইকোর্ট
ছবি: শামীম-উস-সালেহীন/টাইমস
Advertisement
Advertisement

দৈনিক কালের কণ্ঠের ডিক্লারেশন বাতিল করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রিট আবেদনকারী সাবেক ১১ কর্মীকে তাদের বকেয়া পাওনা ১৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পত্রিকাটির সাবেক ১১ কর্মীর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি ফাতেমা নজীব এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মানজুর আল মতিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আখতার হোসেন মো. আবদুল ওয়াহাব।

বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন কালের কণ্ঠের ডিক্লারেশন বাতিল চেয়ে গত ১৩ অক্টোবর রিটটি করা হয়।

রিটে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর ও কালের কণ্ঠের প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরীকে বিবাদী করা হয়।

আরও পড়ুন

রিটে নিয়মিত প্রকাশনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নিশ্চিত করতে কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা হারানোয় কেন পত্রিকাটির ঘোষণাপত্রের অনুমোদন বাতিল করা হবে না, তা জানতে রুল চাওয়া হয়।

কালের কণ্ঠ থেকে পদত্যাগ করা বা বরখাস্ত হওয়া রিট আবেদনকারী/সাংবাদিকদের বকেয়া পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রকাশকের প্রতি নির্দেশনাওে চাওয়া হয় রিটে।

বকেয়া পরিশোধের জন্য গত ১৭ আগস্ট বিবাদীদের কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। তবে বিবাদীরা বকেয়া পরিশোধে কোনো পদক্ষেপ নেননি। পরে হাইকোর্টে রিট করা হয়।

রিট আবেদনকারী ১১ জন হলেন মো. শাহ আলম, মো. জাহেদুল আলম, কাকলী প্রধান, দেওয়ান আতিকুর রহমান, আবু সালেহ মোহাম্মদ শফিক, কে এম লতিফুল হক, আসাদুর রহমান, মো. রোকনুজ্জামান, শামসুন নাহার, মো. লতিফুল বাশার ও হানযালা হান।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর