ইসলামী ব্যাংকের উপশাখাগুলোর আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা, যা এক বছরে বেড়েছে ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। বর্তমানে ব্যাংকটির মোট আমানত ১ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা বলে জানানো হয়।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ইসলামী ব্যাংকের উপশাখা ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
ইসলামী ব্যাংক টানা ১৮ বছর ধরে রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। গত এক বছরে ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ৭৬ হাজার কোটি টাকা রেমিট্যান্স।
বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকসংখ্যা ৩ কোটি, যা গত এক বছরে বেড়েছে ৫০ লাখ। ব্যাংকটি ৪০০টি শাখা, ২৭১টি উপশাখা, ২ হাজার ৭৮৮টি এজেন্ট আউটলেট এবং ৩ হাজার ৪০টি এটিএম ও সিআরএম বুথের সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে।
সম্মেলনে ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন এবং এম কামাল উদ্দীন জসীম। স্বাগত বক্তব্য দেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব আলম।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো রফিকুল ইসলাম এবং কে এম মুনিরুল আলম আল-মামুন।
সভাপতির বক্তব্যে ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইসলামী ব্যাংকের অবদান অবিস্মরণীয়। জুলাই অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত ব্যাংকিং পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের প্রতি আস্থা ফিরে এসেছে।
২০২৫ সালে নানা চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে ইসলামী ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতে সর্বোচ্চ আমানত সংগ্রহ করেছে এবং সর্বাধিক রেমিট্যান্স আহরণ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, একটি শক্তিশালী, শরিয়াহসম্মত, প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিপালনভিত্তিক আধুনিক ইসলামী ব্যাংক গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে।
‘ইনোভেশন অ্যান্ড ডিজিটাইজেশন ড্রাইভিং ট্রান্সফরমেশন’ এই স্লোগান সামনে রেখে ব্যাংকের সব সেবায় প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।


