ইউক্রেনে রুশ হামলায় ২৩ প্রাণহানি, ক্ষতিগ্রস্ত ইইউ দপ্তর ও ব্রিটিশ কাউন্সিল

ইউক্রেনে রুশ হামলায় ২৩ প্রাণহানি, ক্ষতিগ্রস্ত ইইউ দপ্তর ও ব্রিটিশ কাউন্সিল
কিয়েভের একটি ভবনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ছবি: এপি/ইউএনবি
Advertisement
Advertisement

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় চার শিশুসহ অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকে। নিহত শিশুদের মধ্যে একজনের বয়স দুই বছর। বাকি দুইজন ১৪ এবং অন্যজন ১৭ বছর বয়সী।

বিবিসির খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে কিয়েভের দার্নিৎস্কি এলাকার একটি বেসামরিক ভবনে আছড়ে পড়ে রাশিয়ার ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র।

হামলায় কিয়েভে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদর দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একই ভবনে থাকা ব্রিটিশ কাউন্সিলের কার্যালয়ও। হামলার পর ওই কার্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ইইউ প্রধান উরসুলা ভন ডার লেইন ওই হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ২০ সেকেন্ডের ব্যবধানে আমাদের অফিস থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরত্বে আঘাত হানে।’

রাশিয়া ইউক্রেনে ‘পুরোদমে সন্ত্রাস’ চালাচ্ছে উল্লেখ করে উরসুলা ভন বলেন, ‘বেসামরিক নাগরিক থেকে শুরু করে কূটনৈতিক স্থাপনাও রুশ আগ্রাসন থেকে রেহাই পাচ্ছে না।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে ১৯তম নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ইইউ প্রধান।

আরও পড়ুন

কিয়েভ কর্তৃপক্ষ জানায়, জুলাইয়ের পর এটিই রাশিয়ার চালানো সবচেয়ে বড় হামলা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, ‘এই হামলা “শান্তি আলোচনার” জন্য রুশ প্রধানমন্ত্রীকে বারবার আহ্বান জানানো বিশ্ব নেতাদের প্রতি মস্কোর সরাসরি জবাব।’

‘ক্রেমলিন কূটনৈতিক পথ নয়, বরং ব্যালিস্টিক মিসাইল বেছে নিয়েছে’, বলেন জেলেনস্কি।

‘শান্তি আলোচনার’ সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার পরও ইউক্রেনের বেসামরিক ভবনে হামলা চালানোয় রাশিয়ার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার এই হামলা শান্তির সব প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

ইইউ-এর পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান কায়া ক্যালাস বলেন, ‘এটি একটি উসকানিমূলক হামলা এবং শান্তি আলোচনার আহ্বানকে উপহাস করার শামিল।’

রুশ হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মেৎজও। তিনি বলেন, ‘ইইউ-এর অফিস লক্ষ্যবস্তু করা রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ঔদ্ধত্যের প্রমাণ।’

 

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad