আগামী নির্বাচন আন্দোলনের অংশ: নজরুল ইসলাম খান

আগামী নির্বাচন আন্দোলনের অংশ: নজরুল ইসলাম খান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। ফাইল ছবি
Advertisement
Advertisement

আগামী জাতীয় নির্বাচন তাদের চলমান আন্দোলনেরই অংশ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনটা আমাদের আন্দোলনেরই একটা অংশ। নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র হয় না। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন জরুরি।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে নব্বইয়ের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের উদ্যোগে ‘নব্বইয়ের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ডা. শামসুল আলম খানের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সেই নির্বাচনে আমরা বিজয়ী হলে আল্লাহর মেহেরবানিতে দায়িত্ব পেয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করব। আমাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই আমরা এগোব।’

জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে একটি দল আছে যারা বিএনপির সঙ্গে সরকারে ছিল, কিন্তু এখন সমালোচনা করে এমনভাবে যেন তারা কখনো কোনো সরকারের অংশ ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত দুই মন্ত্রীর মাধ্যমে তৎকালীন সরকারে অংশ নিয়েছিল।

আরও পড়ুন

এদিন সকালেই নব্বইয়ের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের পক্ষ থেকে তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আমান উল্লাহ আমানের নেতৃত্বে ছাত্রনেতারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে শহীদ মিলনের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

১৯৮৬ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা যখন এরশাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আন্দোলন করছি, সেই সময় ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামী জাতির সঙ্গে বেঈমানি করে এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে গিয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী প্রথম ওই নির্বাচনেই অংশ নেয়। বিএনপি অংশ নেয়নি।’

সেই সংসদই এরশাদের সামরিক শাসনকে বৈধতা দেয় এবং জাতীয়করণ অধ্যাদেশ বাতিল করে। তারা নির্বাচনে না গেলে সেই সংসদ গঠিত হতো না, আর সুযোগ না পেলে ওই বছরই এরশাদের পতন ঘটত, যোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, পরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বে ৯ বছরের আন্দোলনের ফলেই ১৯৯০ সালে এরশাদের পতন ঘটে।

আলোচনা সভায় ডাকসুর সাবেক ভিপি ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেন, নব্বইয়ের ৯ বছরের আন্দোলনে খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের কারণেই এরশাদের পতন হয়েছিল। এর জন্য তাকে বারবার গ্রেপ্তার ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে।

ডাকসুর তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির রুহুল কবির রিজভী, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, নাজিম উদ্দিন আলম, মীর সরাফত আলী সপু, জাগপার খোন্দকার লুৎফুর রহমান, আসাদুর রহমান খান ও ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad