হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু
ঢাকা শিশু হাসপাতালে হাম আক্রান্ত ১০ মাস বয়সী শিশুর পাশে কাঁদছেন মা পিংকি। ফাইল ছবি: শামীম-উস-সালেহীন/টাইমস
Advertisement
Advertisement

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

তাদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ ২০২৬ থেকে ১০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে এবং ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া রোগীর মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৭ জনে। এর মধ্যে ১৪৪ জন হাম সন্দেহে এবং ২৩ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে শুক্রবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন করে ১ হাজার ১৭৭ জন ব্যক্তি হামে আক্রান্ত হয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে । এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট হামের উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৪৯৭ জনে।

আরও পড়ুন

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৬২ জন এবং সিলেট বিভাগে ২৩০ জন হামের উপসর্গ থাকা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৯১০ জন হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ হাজার ৬০৯ জন।

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১৬৮ জনের দেহে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪০৯ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে নতুন কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত এই তালিকায় মোট মৃতের সংখ্যা ২৩ জন।  নিশ্চিত আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৮১ জন এবং রাজশাহী বিভাগে ৭৫৭ জন শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিশেষ সংশোধনীতে জানিয়েছে যে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইটি এবং ঢাকা বিভাগের ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি সন্দেহজনক মৃত্যুর তথ্য এর আগে ভুলভাবে পাঠানোয় শুক্রবার হাম সন্দেহে মোট মৃত্যুর সংখ্যা তিনটি কমিয়ে সমন্বয় করা হয়েছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad