হামের জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু রোববার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হামের জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু রোববার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

হাম প্রতিরোধে আগামী রোববার থেকে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি জানান, দেশের যেসব উপজেলায় হাম (মিজেলস) রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে, সেসব এলাকায় প্রথমে এই কার্যক্রম শুরু হবে। অগ্রাধিকার পাবে গ্রামাঞ্চল।

বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হাম টিকা কার্যক্রম ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী জানান, ইউনিসেফ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই কর্মসূচির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।

‘রোববার সকাল থেকে আমরা বিভিন্ন জায়গায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন শুরু করব। গ্রামাঞ্চলকে অগ্রাধিকার দিয়ে উপজেলা পর্যায়ে টিকা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে। আগামীকাল ও পরশুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত উপজেলার তালিকা অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলায় টিকা পাঠানো হবে।’

ছয় মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ইউনিসেফ থেকে ১৯ লাখ টিকা পেয়েছি। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সীদের এ টিকা দেওয়া হবে।’

এদিকে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভি থেকে ২১ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডোজ হাম টিকা ধার হিসেবে আনা হয়েছে। পরবর্তীতে ৬০৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের আওতায় নতুন টিকা কেনার মাধ্যমে এগুলো পরিশোধ করা হবে
বলেও জানান শাখাওয়াত হোসেন।

আরও পড়ুন

হামের জটিলতা সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ রোগে নিউমোনিয়া হতে পারে এবং ফুসফুসের ভেতরের অংশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে, যার কারণে অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হয়।’

এ সময় সংকট মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি খাত থেকে দ্রুত ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমরা অতি তড়িৎ গতিতে ভেন্টিলেটর কালেক্ট করে সব জায়গায় ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা করেছি।’

কিছু মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কিছু ক্যাজুয়ালিটি হয়েছে কিন্তু আমরা প্রপারলি ম্যানেজ করেছি।’

টিকাদান কার্যক্রম জোরদারে মাঠপর্যায়ের সব কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ফিল্ড লেভেলের সব স্টাফের ছুটি প্রত্যাহার করা হয়েছে, তারা মাঠে থেকে কাজ করবে।

এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্য বিভাগ মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad