নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মামলা

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মামলা
প্রতীকী ছবি
Advertisement
Advertisement

নরসিংদীতে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামী করে মামলাটি করেন কিশোরীর মা। বৃহস্পতিবার রাতে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান, ইমরান দেওয়ান, মো. এবাদুল্লাহ, আইয়ুব আলী এবং মো. গাফফার।

তবে মূল আসামী নূর মোহাম্মদ নূরাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। নূরাকে গ্রেপ্তারে ২টি বিশেষ দল অভিযানে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার আসামী ৯ জনের মধ্যে ৪ জন সরাসরি ধর্ষণের সঙ্গে যুক্ত এবং ৫ জন সালিশি কাজের সঙ্গে যুক্ত বলে নিশ্চিত করেছে মাধবদী থানা পুলিশ। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃদের মধ্যে দুজন সরাসরি ধর্ষণে জড়িত এবং বাকি তিনজন সালিশি কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন

নরসিংদী জেলার মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমরা গতকাল রাতেই ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের দশদিনের রিমান্ডও আবেদন করেছি।’

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনাটি সালিশের মাধ্যমে মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে দায় স্বীকার করেছেন। এজন্য তারা ৮ হাজার টাকাও নিয়েছেন।

নিহত কিশোরীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

১৫ দিন আগে স্থানীয় বখানে নূরার নেতৃত্বে ছয় জন ওই কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরে স্থানীয় মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহমদ আলী দেওয়ান এর বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে তারা মোটা অংকের টাকা খেয়ে কোনও বিচার না করেই পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি কিশোরীর পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ দেয়।

গত বুধবার রাতে মেয়েকে খালার বাড়িতে রাখতে যাচ্ছিলেন বাবা। পথে নূরার নেতৃত্বে ছয় তরুণ বাবার কাছ থেকে কিশোরীকে অপহরণ করে। পরদিন সকালে বিলপাড় ও দড়িকান্দী এলাকার মাঝামাঝি একটি সরষেখেতে কিশোরীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad