জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় হত্যার পর পুলিশের এপিসি থেকে শিক্ষার্থী শাইখ আসহাবুল ইয়ামিনের মরদেহ ফেলে দেওয়াসহ ২২ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ৯ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেয়। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার। মামলার অগ্রগতি তুলে ধরে প্রসিকিউশন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চার সপ্তাহ সময়ের আবেদন করে। পরে আদালত আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় মঞ্জুর করে।
এ মামলার ১৫ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন সাতজন। তারা হলেন ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ আলী, নায়েক সোহেল, মিজানুর রহমান, জাকির হোসেন ও কনস্টেবল মাসুদ মিয়া। আট আসামি এখনো পলাতক।
২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ঢাকার সাভারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অংশ হিসেবে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে যোগ দেন মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী শাইখ আসহাবুল ইয়ামিন। সেদিন দুপুরে পুলিশের গুলিতে তিনি শহীদ হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইয়ামিনের মরদেহ পরে পুলিশের এপিসির ওপরে রাখা হয় এবং সেখান থেকে মরদেহটি ফেলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া, সাভার ও আশুলিয়া এলাকায় সব মিলিয়ে ২২ জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে।


