বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র শরিক জোটের পাঁচটি রাজনৈতিক দলের নেতারা।
এ সময় জোটের প্রার্থীকে যেসব আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, ওইসব আসন থেকে বিএনপির স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থীদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন বলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশ্বস্ত করেছেন। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সোমবার বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে পৃথকভাবে নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, লেবার পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এবং এবি পার্টির নেতারা বৈঠক করেন। বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জাতীয় নির্বাচন এবং জোটের প্রার্থীদের যেসব আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেসব আসনের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
জোট সঙ্গী দলগুলোর মধ্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মনজু, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। এর আগে তারা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকবইয়ে সই করেন।
জোট সঙ্গীদের মধ্যে বগুড়া-২ আসনে মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জোনায়েদ সাকি বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তবে বগুড়া-২ আসনে মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও ঢাকা-১৮ আসনে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি। তার আপিল মঞ্জুর হলে বগুড়া-২ আসনের মনোনয়ন ফিরে পাবেন। সে ক্ষেত্রে তিনি বগুড়া নাকি ঢাকার আসনে নির্বাচন করবেন, তা এখনো জানা যায়নি।
এদিকে জোটের অপর এক প্রার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘যেসব আসনে আমাদের শরিকদের ছাড় দেওয়া হয়েছে, ওইসব আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী এবং বিএনপি পক্ষের স্বতন্ত্র কিংবা বিদ্রোহী প্রার্থীদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি তুলেছি। আমাদের দাবিকে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান তারেক রহমান।’
ইতোমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান ওই নেতা।


