সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ৭ম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ছয় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে নাঈম হোসেনসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কামারখন্দ থানায় মামলা করেন।
আসামিরা হলেন কামারখন্দ উপজেলার, চর কামারখন্দ গ্রামের নাঈম হোসেন (২০), জামতৈল গ্রামের ইমরান হোসেন (২২), মোহাম্মদ আকাশ (২১), মোহাম্মদ আতিক (২৩), নাছিম উদ্দিন (২০) ও কর্ণসূতি গ্রামের নাজমুল হক নয়ন (২০)।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ জানান, ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৯ অক্টোবর সকালে কামারখন্দ উপজেলার কর্ণসূতি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় যায় ওই কিশোরী। যাওয়ার পথে সে কলম কিনতে কর্ণসূতি তালুকদার মার্কেটে যায়। সেখানে আগে থেকে সিএনজি নিয়ে ওৎ পেতে থাকা ৬ যুবক মাদ্রাসা তাকে তুলে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে কামারখন্দ উপজেলার সেন্টাল পার্কের পাশে ডেরা ফাস্টফুড এ্যান্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্টের ভিতরে নিয়ে নাঈম হোসেন তাকে ধর্ষণ করে। এসময় ৫ যুবক বাইরে পাহারা দিচ্ছিল।
মামলার এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ধর্ষণের ফলে মাদ্রাসা ছাত্রীর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে ৬ যুবক তাকে সিরাজগঞ্জ শহরের কমিউনিটি ক্লিনিকে রেখে পালিয়ে যায়।
অভিযোগে জানা যায়, ছুটির পরও সে বাড়ি না ফিরলে পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে।
সন্ধ্যায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তি কিশোরীর মাকে ফোন করে জানায় তার মেয়েকে সিরাজগঞ্জ শহরের কমিউনিটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। পরে পরিবারের সদস্যরা ক্লিনিকে পৌঁছে প্রথমে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও পরে শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করে।


