নীরবেই প্রথম ছবির শ্যুটিং করছেন জাহিদ প্রীতম

নীরবেই প্রথম ছবির শ্যুটিং করছেন জাহিদ প্রীতম
জাহিদ প্রীতম। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

প্রেম, বিরহ, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, স্মৃতিকাতরতা থেকে সম্পর্কের জটিল সমীকরণগুলো নিয়ে নাটক বানিয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন জাহিদ প্রীতম। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করলেও তিনি মিডিয়াতে এসে একের পর এক ভিন্নধর্মী ফিকশন উপহার দিয়ে দর্শক-সমালোচকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ২০২৪ সালের ভালোবাসা দিবসে প্রচারিত ‘বুক পকেটের গল্প’ দিয়ে শুরু হয় তার ধারাবাহিক সাফল্যের যাত্রা, যা দর্শকের কাছে সেরা কাজগুলোর একটি হিসেবে প্রশংসিত হয়।

তিন জোড়া তরুণ-তরুণীর ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়ে নির্মিত নাটকটির জন্য তিনি দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছেন। বর্ণবাদবিরোধী গল্পে বানিয়েছেন ‘তিলোত্তমা’, আর তরুণ প্রজন্মের বন্ধুত্বের গল্পে ‘ফ্রেঞ্জি’। সাম্প্রতিক ওয়েবফিল্ম ‘ঘুমপরী’ তাকে নির্মাতা হিসেবে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সিনেমাটোগ্রাফি, মিউজিক আর সংলাপে কাব্যিক মুন্সিয়ানায় ভর করে প্রতিটি কাজেই তিনি নতুন অভিজ্ঞতা দেন দর্শককে।

তরুণ এ নির্মাতা অনেকটাই নীরবে বানাচ্ছেন তার প্রথম সিনেমা। রোমান্টিক থ্রিলার ঘরানার ছবিটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো। ঢাকাতেই এরই মধ্যে নিশোর অংশের শুটিং করেছেন জাহিদ। ছবিটি প্রযোজনা করছে আলফা-আই লিমিটেড।

জানা গেছে, ছবিটির নায়িকা এখনও ঠিক হয়নি। আলফা আইয়ের প্রধান শাহরিয়ার শাকিল বর্তমানে রেদওয়ান রনি পরিচালিত ‘দম’-এর লোকেশন রেকি করতে মধ্যপ্রাচ্যে রয়েছেন। সেখান থেকে এলেই নায়িকাকে চুক্তিবদ্ধ করানো হবে। এরপর তার অংশের শ্যুটিং হবে।

নায়িকাকে চুক্তিবদ্ধ না করিয়ে কীভাবে নিশোর শ্যুটিং শেষ হলো? তাহলে কি নায়িকার সঙ্গে নায়কের দেখা হয় না গল্পে?

আরও পড়ুন

প্রযোজনা সংস্থার এক কর্মকর্তা টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘হয়ত হয়, হয়ত হয় না। এখানে একটি টুইস্ট রয়েছে। সেটা ছবি মুক্তির পরেই বোঝা যাবে। এখন বলে দিলে তো গল্পের মজাই নষ্ট হয়ে যাবে।’

শ্যুটিং অনেকটুকু এগোলেও ছবিটির নাম এখনও ঠিক করেননি জাহিদ প্রীতম। এ ব্যাপারে জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।

তবে বেশ কয়েকবার বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, খুব শিগগিরই ছবি নির্মাণ করবেন।

‘মিস্টার টুইস্ট’খ্যাত নির্মাতা ভিকি জাহেদের সঙ্গে ছয় বছর সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন জাহিদ প্রীতম। তাছাড়া তিনি ভিকির টিমে ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবেও ছিলেন। রোমান্স, মিস্ট্রি কিংবা আবেগ– সব ঘরানার গল্পই তিনি কাব্যিক অথচ বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারদর্শী। ‘অপেক্ষার নীল প্রহর’, ‘ভালোবাসার কারাগার’, ‘ঘ্রাণ’, ‘মেঘে ঢাকা রোদ্দুরে’, ‘মেময়ার অব লাভ’সহ একাধিক ফিকশনে তিনি নিজস্ব ছাপ রেখেছেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর