চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার আল হেলাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এ আদেশ জারি করে।
একই ঘটনায় অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহীন্দ্র কুমার মণ্ডল স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, গত ৩ নভেম্বর পুলিশ এনামুল হককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। এ কারণে সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত থাকাকালে বিধি অনুযায়ী তিনি খোরাকি ভাতা পাবেন।
এর আগে সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিদ্যালয় থেকে এনামুল হককে আটক করে পুলিশ। যৌন হয়রানির অভিযোগে স্থানীয় লোকজন তাকে বিদ্যালয়ের ভেতরে আটকে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল ইসলাম।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলা উদ্দিন বলেন, শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কাম্য নয়। অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহীন্দ্র কুমার মণ্ডল বলেন, প্রাথমিক তদন্তে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে মনে হয়েছে। এ কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।


